রাত ১:০৪ | মঙ্গলবার | ২০শে মে, ২০১৯ ইং | ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

অত্যাচার জুলুমের অপর নাম কাশিয়ানীর কালনা ঘাট

অত্যাচার জুলুম স্বেচ্ছাচারীতার অপর নাম গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার কালনা খেয়া ও ফেরিঘাট। সরকারি নিয়ম মানা হচ্ছে না এই ঘাটে।

প্রতিনিয়ত প্রতারিত ও হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন এই ঘাট দিয়ে যাতায়াতকারি যানবাহনের চালকগণ, যাত্রী ও সাধারণ জনগণ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাশিয়ানী উপজেলার শংকরপাশা কালনা খেয়া ও ফেরিঘাটে সরকারি নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে অত্যাচার জুলুম ও স্বেচ্ছাচারীতার দৃশ্য।

একই ঘাট দিয়ে পাশাপাশি চালানো হচ্ছে খেয়াঘাট ও ফেরিঘাট। আর এ সুবাদেই যাত্রী সাধারনের উপর চালানো হচ্ছে অত্যাচারের স্টীম রোলার।

উভয় ঘাটেই তোলা হচ্ছে সরকারি নিয়মের বাইরে দুই থেকে তিন গুণ টাকা। ওই এলাকার প্রভাবশালীরা নিয়ন্ত্রণ করছে নদীর দুই পাড়ের ঘাটই। প্রতিবাদ করতেগেলেই শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে প্রতিবাদ কারিকে। এমনকি তাদের লাঞ্ছনার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না মহিলারা পর্যন্তু।

৪/৫ বছর আগে গোপালগঞ্জ সদরের এক যুবক বিয়ের বরযাত্রীতে এসে, এই ঘাটে পারাপার হতে গিয়ে তাঁদের জুলুমের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ইজারাদারের লোকজনের হাতে খুন হতে হয়েছিল।

স্থানীয়রা জানান, এ ঘাটে পার হতে জনপ্রতি ঘাট মালিক তিন টাকা আদায় করেন। এই তিন টাকা নিয়ে ঘাট মালিকের নৌকায় ঘাট পার করে দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু ঘাট মালিকের ঘাটে কোনো নৌকা নেই। তাই আরো বাড়তি তিন টাকা বেশি দিয়ে ট্রলারে পার হতে হচ্ছে যাত্রীদের।

এ ব্যাপারে চরজাজিরা গ্রামের ঘাটমাঝি রিজ্জাক মোল্যা বলেন, ঘাটে ইজারাদারের কোন নৌকা বা ট্রলার নেই। আমরা নিজেরা নিজেদের ট্রলারে টাকা নিয়ে লোকজন পারাপার করি।

খেওয়া ঘাটে পারাপার হওয়া মটর সাইকেল চালক যশোর সদরের মোঃ খানজাহান আলী বলেন, আমার কাছ থেকে ঘাটে ৮ টাকা এবং ট্রলারে ২০ টাকা নিয়েছে।

মাদারীপুর শিবচরের যাত্রী মোঃ নুরনবী জানান, খেয়া ঘাটে ৩ টাকা আবার ট্রলারেও ৩ টাকা করে আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে।

কাশিয়ানী ভাট্রইধোবা গ্রামের জীবনীকা জানান, ঘাটে ৩ টাকা ট্রলারে ৩ টাকা করে আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ফেরিঘাটে চলছে আরো বেশী অত্যাচার, জুলুম আর স্বেচ্ছাচারীতা।
মধুমতি নদীতে ফেরি পারাপারে যানবাহনের চালকদের কাছ থেকে সরকারি নিয়মের বাইরে দুই থেকে তিন গুণ টাকা আদায় করা হচ্ছে।

এখানে সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ইচ্ছামত টাকা আদায় করা নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। হরহামেসাই ঘটছে অনিয়মের ঘটনা। এ নিয়ে কোন প্রকার মাথা ব্যাথা নেই সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের।

কালনা ফেরিঘাটে সড়ক ও জনপথ নির্বাহী প্রকৌশলীর পক্ষ থেকে পারাপারের একটি মূল্য তালিকা টানানো থাকলেও প্রভাবশালী ইজারদার মঞ্জুরুল আলম ও তাঁর লোকজন ওই তালিকার কোন প্রকার তোয়াক্কা না করেই জোর জুলুম করে দুই থেকে তিন গুণ হারে টাকা আদায় করছে।

এই ঘাটে নিয়মিত চলাচলকারি খানজাহান আলী পরিবহনের চালক পুকুরীয়ার আঃ মান্নান জানান কোন প্রকার রসিদ ছাড়াই ৬০ টাকার পরিবর্তে ২১০ টাকা এবং সিরিয়ালের জন্য ৩০ টাকা করে বাড়তি আদায় করা হচ্ছে।

ট্রাক চালক মোঃ রাকির আলী জানান, রসিদ ছাড়াই ১৫০ টাকার পরির্বতে ২০০ টাকা এবং সিরিয়ালের জন্য ২০ টাকা বাড়তি আদায় করা হচ্ছে।

পিকাপ চালক লোহাগড়ার হেলাল সরদার জানান, কোন প্ররকার রসিদ ছাড়াই ১১৫ টাকার পরিবর্তে ১৫০ এবং লোড পিকাপের ক্ষেত্রে-২৫০ টাকা, সিরিয়ালের জন্য ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।

গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগ থেকে জানানা যায়, ঠিকাদার একেএম মঞ্জুর হাসান চার কোটি ৩৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকায় কালনা ফেরিঘাট চলতি বছর থেকে তিন বছরের জন্য ইজারা নিয়েছেন। গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ ট্রেইলার পারাপারে ৫৬৫ টাকা, হেভি ট্রাকে ১৫০ টাকা, মিডিয়াম ট্রাকে ১২৫ টাকা, মিনি ট্রাকে ১১৫ টাকা, পাওয়ার টিলারে ৯০ টাকা, বড় বাসে ৬০ টাকা, মিনি বাসে ৩৫ টাকা, মাইক্রোবাসে ৪০ টাকা, পিকআপ, কভারেশন জিপ ৪০ টাকা, সিডান কার ২৫ টাকা, অটো রিকশা ও সিএনজি ১৫ টাকা, মোটরসাইকেল, ভ্যান রিকশা পারপারে ৫ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করে ফেরিঘাটে তালিকা টানিয়ে দিয়েছে।

ঘাট মালিক এ.কে.এম মঞ্জুর হাসান ফেরি ও খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কথা অস্বীকার করে বলেন, ফেরিতে অনেক সময় যানবাহন এবং যাত্রীকে ফ্রি পারাপার করতে হয়। এটি পুষিয়ে নিতে কখনও কখনও একটু বেশি ভাড়া আদায় করা হয়। তবে দুই থেকে তিনগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ সত্য নয়। এখন থেকে ফেরি পারাপারে রসিদ দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খো. মো. শরিফুল আলম জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে কেউ এই পর্যন্তু আমাদের কাছে কোন অভিযোগ করেনি। খোঁজ-খবর নিয়ে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Views All Time
Views All Time
1116
Views Today
Views Today
1

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



সর্বশেষ আপডেট



» কাশিয়ানীতে বালু ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম! সড়কে চলাচলকারীদের ভোগান্তি চরমে!

» কাশিয়ানীতে রাতের বেলা বাড়ি ও দোকানে আগুন, বলা হচ্ছে “জিনের কাণ্ড”

» এগিয়ে চলছে কালনা সেতুর নির্মাণ কাজ

» কাশিয়ানী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নৌকার মাঝি হতে চান তুহিন কাজী

» কাশিয়ানীতে চেয়ারম্যানের ভাইয়ের হাতে ইউপি সদস্য লাঞ্ছিত

» শুভ জন্মদিন সুমন মুন্সী

» কাশিয়ানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১

» কাশিয়ানীতে অগ্নিকান্ডে চার বসত ঘর পুড়ে ছাই

» কাশিয়ানীতে ট্রাক চাপায় নিহত ১

» তারুণ্য নির্ভর রাজনীতিক পথিকৃৎ সালাহ উদ্দীন রাজ্জাক

» কাশিয়ানী থেকে ইয়াবা ব্যবসায়ী সাংবাদিক জাহিদ গ্রেফতার

» কাশিয়ানী থেকে মাদক ব্যবসায়ী রকিব গ্রেফতার

» কাশিয়ানী থেকে মাদক ব্যবসায়ী রকিব গ্রেফতার

» কাশিয়ানী থেকে মাদক ব্যবসায়ী রকিব গ্রেফতার

» কাশিয়ানীতে কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশ-২০১৮ অনুষ্ঠিত

পরিচালনা পর্ষদ

প্রধান উপদেষ্টা : মোঃ গোলাম মোস্তফা

প্রধান সম্পাদক : নিজামুল আলম মোরাদ

সম্পাদক & প্রকাশক : পরশ উজির

পরিচালনা পর্ষদ

অঞ্চলিক অফিস ও সম্পাদকীয় কার্যালয় : প্রেস ক্লাব,
কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ
নিউজ রুম : kashiani09@gmail.com 01911079050

Design & Devaloped BY Creation IT BD Limited

,

অত্যাচার জুলুমের অপর নাম কাশিয়ানীর কালনা ঘাট

অত্যাচার জুলুম স্বেচ্ছাচারীতার অপর নাম গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার কালনা খেয়া ও ফেরিঘাট। সরকারি নিয়ম মানা হচ্ছে না এই ঘাটে।

প্রতিনিয়ত প্রতারিত ও হয়রানির স্বীকার হচ্ছেন এই ঘাট দিয়ে যাতায়াতকারি যানবাহনের চালকগণ, যাত্রী ও সাধারণ জনগণ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কাশিয়ানী উপজেলার শংকরপাশা কালনা খেয়া ও ফেরিঘাটে সরকারি নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে অত্যাচার জুলুম ও স্বেচ্ছাচারীতার দৃশ্য।

একই ঘাট দিয়ে পাশাপাশি চালানো হচ্ছে খেয়াঘাট ও ফেরিঘাট। আর এ সুবাদেই যাত্রী সাধারনের উপর চালানো হচ্ছে অত্যাচারের স্টীম রোলার।

উভয় ঘাটেই তোলা হচ্ছে সরকারি নিয়মের বাইরে দুই থেকে তিন গুণ টাকা। ওই এলাকার প্রভাবশালীরা নিয়ন্ত্রণ করছে নদীর দুই পাড়ের ঘাটই। প্রতিবাদ করতেগেলেই শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে প্রতিবাদ কারিকে। এমনকি তাদের লাঞ্ছনার হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না মহিলারা পর্যন্তু।

৪/৫ বছর আগে গোপালগঞ্জ সদরের এক যুবক বিয়ের বরযাত্রীতে এসে, এই ঘাটে পারাপার হতে গিয়ে তাঁদের জুলুমের প্রতিবাদ করতে গিয়ে ইজারাদারের লোকজনের হাতে খুন হতে হয়েছিল।

স্থানীয়রা জানান, এ ঘাটে পার হতে জনপ্রতি ঘাট মালিক তিন টাকা আদায় করেন। এই তিন টাকা নিয়ে ঘাট মালিকের নৌকায় ঘাট পার করে দেওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু ঘাট মালিকের ঘাটে কোনো নৌকা নেই। তাই আরো বাড়তি তিন টাকা বেশি দিয়ে ট্রলারে পার হতে হচ্ছে যাত্রীদের।

এ ব্যাপারে চরজাজিরা গ্রামের ঘাটমাঝি রিজ্জাক মোল্যা বলেন, ঘাটে ইজারাদারের কোন নৌকা বা ট্রলার নেই। আমরা নিজেরা নিজেদের ট্রলারে টাকা নিয়ে লোকজন পারাপার করি।

খেওয়া ঘাটে পারাপার হওয়া মটর সাইকেল চালক যশোর সদরের মোঃ খানজাহান আলী বলেন, আমার কাছ থেকে ঘাটে ৮ টাকা এবং ট্রলারে ২০ টাকা নিয়েছে।

মাদারীপুর শিবচরের যাত্রী মোঃ নুরনবী জানান, খেয়া ঘাটে ৩ টাকা আবার ট্রলারেও ৩ টাকা করে আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে।

কাশিয়ানী ভাট্রইধোবা গ্রামের জীবনীকা জানান, ঘাটে ৩ টাকা ট্রলারে ৩ টাকা করে আমার কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, ফেরিঘাটে চলছে আরো বেশী অত্যাচার, জুলুম আর স্বেচ্ছাচারীতা।
মধুমতি নদীতে ফেরি পারাপারে যানবাহনের চালকদের কাছ থেকে সরকারি নিয়মের বাইরে দুই থেকে তিন গুণ টাকা আদায় করা হচ্ছে।

এখানে সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করেই ইচ্ছামত টাকা আদায় করা নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে। হরহামেসাই ঘটছে অনিয়মের ঘটনা। এ নিয়ে কোন প্রকার মাথা ব্যাথা নেই সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের।

কালনা ফেরিঘাটে সড়ক ও জনপথ নির্বাহী প্রকৌশলীর পক্ষ থেকে পারাপারের একটি মূল্য তালিকা টানানো থাকলেও প্রভাবশালী ইজারদার মঞ্জুরুল আলম ও তাঁর লোকজন ওই তালিকার কোন প্রকার তোয়াক্কা না করেই জোর জুলুম করে দুই থেকে তিন গুণ হারে টাকা আদায় করছে।

এই ঘাটে নিয়মিত চলাচলকারি খানজাহান আলী পরিবহনের চালক পুকুরীয়ার আঃ মান্নান জানান কোন প্রকার রসিদ ছাড়াই ৬০ টাকার পরিবর্তে ২১০ টাকা এবং সিরিয়ালের জন্য ৩০ টাকা করে বাড়তি আদায় করা হচ্ছে।

ট্রাক চালক মোঃ রাকির আলী জানান, রসিদ ছাড়াই ১৫০ টাকার পরির্বতে ২০০ টাকা এবং সিরিয়ালের জন্য ২০ টাকা বাড়তি আদায় করা হচ্ছে।

পিকাপ চালক লোহাগড়ার হেলাল সরদার জানান, কোন প্ররকার রসিদ ছাড়াই ১১৫ টাকার পরিবর্তে ১৫০ এবং লোড পিকাপের ক্ষেত্রে-২৫০ টাকা, সিরিয়ালের জন্য ৩০ টাকা আদায় করা হচ্ছে।

গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগ থেকে জানানা যায়, ঠিকাদার একেএম মঞ্জুর হাসান চার কোটি ৩৪ লাখ ৭৪ হাজার টাকায় কালনা ফেরিঘাট চলতি বছর থেকে তিন বছরের জন্য ইজারা নিয়েছেন। গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ ট্রেইলার পারাপারে ৫৬৫ টাকা, হেভি ট্রাকে ১৫০ টাকা, মিডিয়াম ট্রাকে ১২৫ টাকা, মিনি ট্রাকে ১১৫ টাকা, পাওয়ার টিলারে ৯০ টাকা, বড় বাসে ৬০ টাকা, মিনি বাসে ৩৫ টাকা, মাইক্রোবাসে ৪০ টাকা, পিকআপ, কভারেশন জিপ ৪০ টাকা, সিডান কার ২৫ টাকা, অটো রিকশা ও সিএনজি ১৫ টাকা, মোটরসাইকেল, ভ্যান রিকশা পারপারে ৫ টাকা ভাড়া নির্ধারণ করে ফেরিঘাটে তালিকা টানিয়ে দিয়েছে।

ঘাট মালিক এ.কে.এম মঞ্জুর হাসান ফেরি ও খেয়া পারাপারে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কথা অস্বীকার করে বলেন, ফেরিতে অনেক সময় যানবাহন এবং যাত্রীকে ফ্রি পারাপার করতে হয়। এটি পুষিয়ে নিতে কখনও কখনও একটু বেশি ভাড়া আদায় করা হয়। তবে দুই থেকে তিনগুণ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ সত্য নয়। এখন থেকে ফেরি পারাপারে রসিদ দেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

গোপালগঞ্জ সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খো. মো. শরিফুল আলম জানান, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের ব্যাপারে কেউ এই পর্যন্তু আমাদের কাছে কোন অভিযোগ করেনি। খোঁজ-খবর নিয়ে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Views All Time
Views All Time
1116
Views Today
Views Today
1

সর্বশেষ আপডেট



এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ



পরিচালনা পর্ষদ

প্রধান উপদেষ্টা : মোঃ গোলাম মোস্তফা

প্রধান সম্পাদক : নিজামুল আলম মোরাদ

সম্পাদক & প্রকাশক : পরশ উজির

পরিচালনা পর্ষদ

অঞ্চলিক অফিস ও সম্পাদকীয় কার্যালয় : প্রেস ক্লাব,
কাশিয়ানী, গোপালগঞ্জ, ঢাকা, বাংলাদেশ
নিউজ রুম : kashiani09@gmail.com 01911079050

Design & Devaloped BY Creation IT BD Limited